Have an account?

Sunday, August 8, 2010

0 ফ্রি Backlink তৈরি করুন যতখুশি তত,আপনার সাইটটের visitor বৃদ্বি করুন দ্বিগুন থেকে তিনগুন >>>>>> ওয়েব ডিজাইনের জানা অজানা তথ্য নিয়ে কিছু পোস্ট

আমরা সকলেই জানি একটি সাইটটের Backlink ঐ সাইটটের traffic পেজরেন্ক বৃদ্বি পাওয়ার জন্য অনেক বড় ভূমিকা পালন করে । আমরা চাইলেও খুব সহজেই আমাদের সাইটটের pagerank বৃদ্বি করতে পারবো না । বেশি বেশি visitor পাওয়ার সাথে আমাদের কে উন্নত মানের Backlink পেতে হবে । আর উন্নত মানের Backlink পাওয়া খুব সহজ নয় । এর জন্য আমাদের খুব পরিশ্রম করতে হবে । যদি আমরা একটা DoFollow blog পাই তার pagerank থাকে ৪/৩ , আমরা ঐ সাইট থেকে Backlink ৪/৩ পাবো না । কেননা ঐ সাইটটের পোস্টটির pagerank ৪/৩ হবে না , এর থেকে অনেক কম কোনটা pagerank ২/১ আবার ০ হতে পারে ।

আর আমি যে Backlink এর কথা বলবো তা হইতেছে ফ্রি ও খুব দ্রুত এবং সাধারন ভাবে Automatic Backlink পাওয়া যায় । যা আমরা search engines এর result এর মাধ্যমে ফলাফল দেখতে পাবো ।আর আরেকটা কথা হলো SEO , pagerank,এবং alexa rank এই সবগুলোর মধ্যে ভালো traffic পেতে হলে উন্নত মানের বেশি Backlink এর দরকার আছে ।
কিভাবে Free Automatic Backlink তৈরি করবো আমাদের সাইটে
১, নিচের যে html code দেওয়া আছে তা কোন পরিবর্তন ছাড়া Copy করবো ।
২, আমাদের সাইটের মধ্যে যে sidebar, single post, header বা footer আছে এর যেখানে ইচ্ছা Paste করে দিবো।
৩, আমাদের new পোস্ট কিংবা old পোস্ট বা যেখানেই আমরা Backlink এর banner button তৈরি করলাম । সেখানেই Backlink button এর clik করবো ।
৪, যার কোন সিমাবদ্বতা থাকবে না । যত খুশি তত clik করতে পারবো কিন্তু কোন spam করা যাবে না ! Goodluck

Free Automatic Backlink for Blog and Website


Copy this html code to your website >>Free Auto Backlinks







Backlink sites



আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে এখানে অনেক গুলো Free Automatic Backlink এর sites দেওয়া আছে , যাদের অনেক গুলোর pagerank ৪,৫,৬ আবার কোনটি ৩,২,১,০ কিন্তু প্রতিটি sites এর থেকে আপনি আপনার ওয়েব সাইটটের জন্য Free Backlink পেয়ে যাবেন । সাইট গুলো Free Automatic Backlink দেওয়ার কারনে আপনাকে ওদের সাইটে বার বার প্রবেশ করতে হবে কিন্তু কোন spam করা যাবে না । কেননা প্রচুর visitor থাকার কারনে আপনার সাইটটের নাম ওদের sites থেকে মুছে যেতে পারে কিন্তু বাদ হবে না । হয়ত আপনি অল্প Backlink পেতে পারেন , তা ছবি আকারে প্রকাশ করা হলো ।

Monday, May 10, 2010

0 Dhaka College‎ প্রতিষ্ঠার পটভূমি !!!!!!!!!

১৮৪১ সালের জুলাই ৭ এবং আগস্ট ১১ এর মধ্যবর্তী কোনো একটি তারিখে বাংলাদেশের প্রথম আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- ঢাকা কলেজ স্থাপিত হয়। ঢাকা কলেজ প্রতিষ্ঠার সঠিক তারিখ সম্পর্কিত অনিশ্চয়তার অন্যতম কারণ হলো, কলেজ প্রতিষ্ঠার সঠিক দিন বা তারিখ কোনো গ্রন্থে বা অন্য কোথাও উল্লেখ নেই। সুনির্দিষ্টভাবে শুধু ১৮৪১ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠার সন পাওয়া যায়। তাই গবেষণার ভিত্তিতে ইতিহাসবিদগণ ১৮৪১ সালের ৭ জুলাই এবং ১১ আগস্টের মধ্যবর্তী কোনো একটি শুভদিনে ঢাকা কলেজের যাত্রাকাল হিসেবে উল্লেখ করেন।

১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে ১৭৬৫ সালে বাংলা, বিহার এবং উড়িষ্যার দেওয়ানী লাভ করে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এবং প্রকৃতপক্ষেই তারা এ অঞ্চলের শাসকে পরিণত হয়। ইংরেজরা এসময় নিজেদের শাসক হিসেবে পরিচয় না দিলেও ১৭৭২ সালে গর্ভনর ওয়ারেন হেস্টিংস এ মুখোশ খুলে দিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর হয়ে সরাসরি এ দেশের শাসনভার গ্রহণ করে। এরপর পরবর্তী ৬২ বছর পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর শাসকগণ তাদের রাজত্বের অধিবাসীদের জন্য কোনো শিক্ষানীতি প্রনয়ণ বা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ও সরকারি শিক্ষাব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এ দীর্ঘ সময়ে এ অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থা ঐতিহ্যগতভাবেই চলছিলো। অবশেষে ১৮৩০ এর দশকে সরকার এক শিক্ষানীতি গ্রহণ করে এবং সে নীতিমালায় যে শিক্ষানীতির প্রচলন হয়, তা মূলত পাশ্চাত্য বা ইংরেজি শিক্ষা নামে পরিচিতি পায়।

এ আধুনিক ধারার শিক্ষাব্যবস্থা প্রচলনের জন্য সেসময়ে ঢাকাতে কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠলেও- শিক্ষা প্রসারের চেয়ে, ধর্ম প্রচার সেখানে মুখ্য হয়ে ওঠে। ফলে উল্লখ করার মতো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সেখানে গড়ে ওঠেনি। পরবর্তীকালে, ১৮৩৫ সালের ২০ এপ্রিল সে সময় দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কিত দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ জেনারেল কমিটি অব পাবলিক ইনস্ট্রাকশন (General Committee of Public Instruction) লর্ড বেন্টিকের নিকট একটি প্রতিবেদন পেশ করে, যেখানে বলা হয়, সরকারের তত্ত্বাবধানে বাংলা প্রেসিডেন্সির প্রধান প্রধান জনবহুল শহরে ইংরেজি সাহিত্য এবং বিজ্ঞান শিক্ষার জন্য যতোগুলো সম্ভব বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হোক। পরবর্তীকালে এ প্রতিবেদনের গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য ঢাকার কর্মকর্তাদের নিকট এ সংক্রান্ত চিঠি প্রদান করা হলে ঢাকার সে সময়ের সিভিল সার্জন ডা: জেমস টেইলার (Dr. James Tailer) জানান যে, এখানে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা যে কেবল উচিতই নয়; বরং এর জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রকারের সুবিধা (আর্থিক এবং সামাজিক) পাওয়া যাবে। মূলত তখন থেকেই শুরু হওয়া বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১৮৩৫ সালের ১৫ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে চালু হয় ঢাকা ইংলিশ সেমিনারী যা বর্তমানে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল নামে পরিচিত।

এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতে একদিকে যেমন বদলে যেতে থাকে সমাজের সামগ্রিক চালচিত্র, তেমনি বিদ্যার্থীদের মানসসম্মুখে পাশ্চাত্যের কলাবিদ্যা, বিজ্ঞান এবং দর্শনকে উন্মোচিতো করে। শিক্ষা এবং সমাজ ব্যবস্থার এ ইতিবাচক পরিবর্তনে সে সময়ের গর্ভনর জেনারেল লর্ড অকল্যান্ড এবং জেনারেল কমিটি অব পাবলিক ইনস্ট্রাকশন (General Committee of Public Instruction) কতোগুলো কেন্দ্রীয় কলেজ প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করেন। এর প্রেক্ষিতে প্রস্তাবিত ব্যায়ের কথা উল্লেখ এবং কর্তৃপক্ষ দ্বারা তার যথাযথ অনুমোদন সাপেক্ষে ১৮৪১ সালে ঢাকা ইংলিশ সেমিনারী স্কলকে একটি কলেজে বা একটি আঞ্চলিক উচ্চতর ইংরেজি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা হয়, যার নাম দেয়া হয় ঢাকা সেন্ট্রাল কলেজ বা সংক্ষেপে ঢাকা কলেজ এবং ঢাকা ইংলিশ সেমিনারী স্কুলের নাম দেওয়া হয় ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল। বলাবাহুল্য, এ কলেজ প্রতিষ্টার পর পরই বদলে যায় সমগ্র ঢাকার চালচিত্র। ঢাকা হয়ে ওঠে সমগ্র পূর্ববাংলার ইংরেজি শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র।



প্রথম ঢাকা কলেজ ভবন
কেমব্রীজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং হিন্দু কলেজের শিক্ষক জে. আয়ারল্যান্ডকে ঢাকা কলেজের প্রথম প্রিন্সিপাল নিযুক্ত করা হয়। তার আগমনের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যেতে থাকে ঢাকা কলেজের প্রাতিষ্ঠানিক এবং শিক্ষাগত ব্যাবস্থাপনার ভিত্তি। সে অর্থে আয়ারল্যান্ডই ঢাকা কলেজের সত্যিকারের গুরুত্বপূর্ণ সংগঠক। তিনি কলেজের শিক্ষাদান ব্যবস্থাপনায় আনেন বৈপ্রবিক পরিবর্তন।



source :wikipedia

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More